যখন বিশ্বের তিনটি গোপন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একই সাথে আক্রান্ত হয়, তখন তরুণ গোয়েন্দা অনিকেত সেন আবিষ্কার করেন ৩০ বছর আগের এক বিস্মৃত প্রকল্প। ডাঃ রেড্ডি, অনিকেত এবং নিহারিকা রায়ের মাধ্যমে উন্মোচিত হয় 'অপারেশন ত্রিশূল'-এর আসল রহস্য। জাতীয় নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং দেশপ্রেমের এক রোমাঞ্চকর কাহিনীর মধ্য দিয়ে বিশ্বশক্তি রক্ষার এই লড়াই পাঠকদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ধরে রাখবে।
مطالبة التوليد(سجّل الدخول لرؤية المطالبة الكاملة)
বিষয়বস্তু: অপারেশন ত্রিশূল একটি অজ্ঞাত সংগঠন বিশ্বের তিনটি দেশের গোপন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একই দিনে সাইবার অনুপ্রবেশ ঘটায়। কিন্তু তারা কোনো তথ্য চুরি করে না। বরং প্রতিটি সিস্টেমে রেখে যায় মাত্র একটি সংকেত— "ত্রিশূল সক্রিয় হয়েছে।" ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে "ত্রিশূল" নামে কোনো চলমান মিশনের রেকর্ড নেই। তদন্তে জানা যায়, প্রায় ত্রিশ বছর আগে একটি অতিগোপন প্রকল্প শুরু হয়েছিল, যার সমস্ত নথি পরে রহস্যজনকভাবে মুছে ফেলা হয়। প্রকল্পটির উদ্দেশ্য কী ছিল, তা কেউ জানে না। এক তরুণ গোয়েন্দা কর্মকর্তা তদন্ত করতে গিয়ে বুঝতে পারেন, তিনি শুধু একটি অপরাধের তদন্ত করছেন না; তিনি এমন একটি পরিকল্পনার মুখোমুখি হয়েছেন, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গোপনে তৈরি হয়েছে। প্রতিটি সূত্র তাকে এমন মানুষের কাছে নিয়ে যায়, যাদের সরকারি পরিচয় একরকম, কিন্তু গোপন পরিচয় সম্পূর্ণ ভিন্ন। সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে যখন তিনি জানতে পারেন, "অপারেশন ত্রিশূল" কোনো অস্ত্র, কোনো ফাইল বা কোনো প্রযুক্তির নাম নয়—এটি একটি জীবন্ত পরিকল্পনা, যার তিনটি স্তম্ভ তিনটি ভিন্ন মানুষের মধ্যে লুকিয়ে আছে। তিনজন একে অপরকে চেনেন না, কিন্তু তাদের প্রত্যেকের কাছে এমন একটি অংশ রয়েছে, যা একত্রিত হলে বিশ্বশক্তির ভারসাম্য বদলে যেতে পারে। এখন প্রশ্ন একটাই—এই তিনজনের আগে কে পৌঁছাবে? ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা, নাকি সেই অদৃশ্য সংগঠন, যারা ছায়া থেকেই পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়?