আবুল সাহেবের জীবনের গল্প, যেখানে স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। একজন মানুষের রোগ সম্পর্কে অসচেতনতা এবং ডাক্তারের পরামর্শ অবহেলার ফলস্বরূপ কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা এই গল্পের মূল বিষয়। গল্পটি আমাদের শেখায় স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হতে এবং ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলতে।
"আবুল সাহেব কুড়িগ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত হলে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার খুব একটা অভ্যাস তার নেই। তবে কিছুদিন যাবৎ তিনি অতিরিক্ত প্রসাব করা, অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা, এবং ওজন কমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। তার ছেলেরা তাকে অনেক জোর করে একজন ডাক্তারের চেম্বারে নিয়ে আসলেন। ডাক্তার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে বললে তার ডায়াবেটিস হয়েছে। ডাক্তার তাকে জানালেন ভয়ের কিছু নেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় যদিও এটি পুরোপুরি নিরাময় যোগ্য নয়। তবে অবশ্যই অবহেলা করা যাবে না। অবহেলা করলে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এমনকি বিভিন্ন জটিলতায় মৃত্যুও ঘটতে পারে। কিন্তু যথারীতি আবুল সাহেব ডাক্তারের উপদেশ মানলেন না। তিনি বিশ্বাস করেন তার কিছুই হয়নি। ডাক্তার হয়তো ভুল বলছেন। কিছুদিন পর তার পায়ে একটি মারাত্মক ঘা দেখা দিল। যেটি কিছুতেই শুকাচ্ছিল না। এরপর তিনি একজন সার্জনের শরণাপন্ন হলেন। এবং তিনি জানালেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের না রাখার ফলে তার এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। এখন তার পায়ের কিছু অংশ কেটে ফেলতে হবে। তিনি যদি সময় মত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা গ্রহণ করতে এবং সেটি মেনে চলতে তাহলে তার এই পরিণতি হত না। আবুল সাহেব ডাক্তারের কথা অবহেলা করেছেন ভেবে খুব অসহায় বোধ করলেন।" আবুল সাহেব একজন মধ্যবয়স্ক বাঙালি মুসলিম ব্যবসায়ী। তার মুখে দাড়ি। জামা হিসেবে পাঞ্জাবী লুঙ্গি। ডাক্তারের চেম্বার অনেক গুছানো। ডাক্তার সাদা অ্যাপ্রন পরিহিত। সার্জন সার্জারির পোশাক পরিহিত। ছবিগুলা একটু কালারফুল হবে। এবং বাস্তবসম্মত হবে।