Sadhuma: The Sacred Stray - Family stories

Sadhuma: The Sacred Stray

Story Description

When heartbroken Shantanu rescues a dying stray puppy with a rare saffron coat near Dakshineswar, his overwhelmed family has no idea their lives are about to change forever. Named Sadhuma for her serene, saintly demeanor, this mysterious dog harbors divine grace that will test the family's unity and protect them from sudden danger. A heart-warming tale of redemption, unexpected miracles, and the devotion of a saintly soul.

Ratings:Not enough ratings
Language:English
Published Date:
Reading Time:1 minutes

Keywords

Generation Prompt

আকাশ ও রাজরূপার একমাত্র পুত্র শান্তনু তার বয়স ২৬ বছর। আকাশ ও রাজরুপা প 58 এবং 59 বছর বয়সের। শান্তনুর আবার এর একটা ব্রেকআপ হয়েছে তাই তার মন ভালো নেই। সে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই কোন না কোন মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে কিন্তু নিজের স্বভাবের জন্য তার ব্রেকআপ হয়ে যায় নিজের নির্বুদ্ধিতার জন্য ঠিক মেয়েকে পছন্দ করতে পারেনা। ছেলের মন যাতে একটু অন্যদিকে যায় সেজন্য আকাশ ও রাজ রুপার তাকে একটা বিদেশি কুকুরের সুন্দর বাচ্চা কিনে দেয়। এদিকে শান্তনু সেই বাচ্চাটিকে নিয়ে আনন্দ করার পাশাপাশি হঠাৎ একদিন দক্ষিণেশ্বর চত্বর থেকে মা বাবার অনিচ্ছা সত্ত্বেও একটি মরণাপন্ন রাস্তার মেয়ে কুকুরের বাচ্চাকে ঘরে এনে তোলে। তবে বাচ্চাটির গায়ের রং অদ্ভুত ধরনের গেরুয়া যা সচরাচর দেখা যায় না। এই কুকুরের বাচ্চাটি বাড়ির এক তলায় সিঁড়ির ঘরে আলাদাভাবে মানুষ হতে থাকে শান্তনুর তাকে চিকিৎসা ও যথাসম্ভব যত্নের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সুস্থ করে তোলে। উপরে বিদেশি কুকুরের বাচ্চাটা ক্রমে বড় হতে থাকে। একসময় মা-বাবা সন্তানকে বলেন যে রাস্তার কুকুরের বাচ্চাটিকে এবার পাড়ার কুকুরের দেশ সঙ্গে ছেড়ে দিতে বাইরে কিন্তু সে রাজি হয় না। পাশাপাশি নিজেও খুব বেশি সময় দিতে পারেনা দুটো কুকুরের পেছনে মা-বাবাকে খেটে মরতে হয় এই বয়সে। এই নিয়ে প্রায়ই অশান্তি হয় পরিবারে। এমনকি শান্তনুর মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সংসারের সংসারের কাজ এবং তার উপর কুকুরের বাচ্চাদের নিয়মিত দেখভাল করতে করতে গৃহবন্দী হয়ে পড়ে আকাশও। ওরা কোথাও বেড়াতে যেতে পারে না কারুর বাড়ি যেতে পারে না এই সমস্ত সমস্যায় উপস্থিত হয়। আকাশ রাস্তার কুকুরের বাচ্চাটির অদ্ভুত গায়ের গেরুয়া রং দেখে তার নাম দেয় সাধুমা। রদ্ভুতভাবে দেখা যায় এই রাস্তার কুকুরের বাচ্চাটির স্বভাব চরিত্র সত্যিই সাধুদের মত তার চোখের চাউনি যেন কোন সাধুর চোখের চাউনির মত গভীর। সে কখনো মারামারি করে খাবার কেড়ে খায় না খাবার দিলে বিদেশে কুকুরে বাচ্চাটা দৌড়ে আসে কিন্তু সে আসে দিয়ে সুস্থ যদি তাতে খাবার কিছু কম তার ভাগ্যে জোটে তাও ভালো কিন্তু তার সেই সময় যেন আকর্ষণ নেই। এসি দুটি বাচ্চাই একত্রে বড় তাকে বাড়িতে। এরই মধ্যে সাধুম া নামে কুকুরের বাচ্চাটিকে কেন্দ্র করে বাড়ির মধ্যে নানা অলৌকিক ঘটনা ঘটতে থাকে এরকম কিছু অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ থাকবে এই গল্পে। শেষমেষ একদিন বাড়িতে ডাকাত পড়ে এবং সাধুমা অদ্ভুত কোথায় এবং কিছুটা অলৌকিকভাবেই ডাকাত দলকে বাড়ির মধ্যে ঢুকতে দেয় না উল্টে তারা এক অলৌকিক জালে জড়িয়ে ধরে এক জায়গায় আটকা পড়ে যায় পুলিশ আসে তাদের ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই পরিবারে সাধু মার কদর অনেক বেড়ে যায়। অনেকে দেখতে আসে বাড়ির ভয়ে সাধ আমাকে কেমন দেখতে এইভাবে সাধু মার মধ্যে দিয়ে এই পরিবারের পরিচিত চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এই প্লটটিকে এই সূত্র কে কেন্দ্র করে একটা জমজমাট সুন্দর গল্প লেখা হোক যার মধ্যে সংলাপ থাকবে অনেক। গল্পটি দেড় হাজার শব্দের মধ্যে হোক।

Comments

Loading...